রবিবার, ২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৯:১৫ |
শিরোনামঃ
কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো বিটেশ্বর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরাম কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো বিটেশ্বর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরাম বান্দরবান জেলাতে সুপেয় পানির সংকট, প্রকল্পের নামে শতকোটি টাকা লুটপাট সীতাকুণ্ডে সুরাঙ্গন খেলাঘর আসরের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশের অভিযানে ০৮ কেজি গাজাসহ গ্রেফতার ২ নওগাঁয় চোরাই মদ বিক্রির দায়ে তিনজন গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে জমে উঠেছে উপজেলা নির্বাচনীয় আমেজ ইসলামের প্রাথমিক যুগ লালমনিরহাটে অন্যতম ফসল ভুট্টা হলেও নেই প্রসেসিং কেন্দ্র ও সংরক্ষণাগার বান্দরবানে নাগরিক পরিষদের নেতা কাজী মুজিবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল
  • HOME
  • জাতীয়
  • জয়পুরহাটে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত
  • জয়পুরহাটে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

    দৈনিক দেশ প্রতিদিন
    সংবাদটি শেয়ার করুন

    সজিবুল ইসলাম পাভেল (জয়পুরহাট প্রতিনিধি):
    আজ ১৪ ডিসেম্বর জয়পুরহাটে পালিত হয়েছে হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হানাদার মুক্ত হয়েছিল জয়পুরহাট।

    এ দিনটিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে পাগলা দেওয়ান ও কড়ইকাদিপুর বধ্যভুমিতে বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন করেছেন জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, আওয়ামী লীগ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

    এ উপলক্ষে পাগলা দেওয়ান বধ্যভুমি স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন জেলা প্রশাসক সালেহীন তানভির গাজী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুর রহমান রকেট, সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম সোলায়মান আলী, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মন্ডল, সিভিল সার্জন ডা. আকুল উদ্দিন, জয়পুরহাট ২৫০ সজ্জা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ রাশেদ মোবারক জুয়েল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম.এ মামুন খান চিশতী, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আমিনুল হক বাবুল আনসার ও ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট মির্জা সিফাত-ই-খোদাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

    পূণশ্চ: ১৯৭১ সালের ২৪ এপ্রিল প্রথম সান্তাহার থেকে রেলযোগে পাকসেনারা জয়পুরহাটে এসে এ দেশীয় দোসরদের সহযোগীতায় পাঁচবিবি গোহাটিতে আক্রমন করে। পরদিন দুটি দলে বিভক্ত হয়ে এক দল পাগলা দেওয়ান ও অপর দল ক্ষেতলালের চরবাখরা ব্রিজ এলাকায় গিয়ে ক্যাম্প স্থাপন করে।

    ২৬ এপ্রিল সদর উপজেলার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা কড়ই-কাদিপুর গ্রামে ৩শ ৭১জন মৃৎশিল্পীকে ধরে এনে বায়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে ও লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করে পাকসেনারা। এছাড়া পাগলা দেওয়ান এলাকায় ১০ হাজারেরও বেশি নিরিহ বাঙালি ও শরনার্থীদের হত্যা করে পুঁতে রাখে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা।

    অবশেষে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাঘা বাবলুর নেতৃত্বে অকুতোভয় একদল মুক্তিযোদ্ধা ভূঁইডোবা সীমান্ত দিয়ে পাঁচবিবি হয়ে জয়পুরহাটে প্রবেশ করলে পাকসেনারা পিছু হটতে থাকে। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা জয়পুরহাট ডাকবাংলো মাঠে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে জেলাকে হানাদার মুক্ত যোষনা করেন।

    পাগলা দেওয়ানের পাকসেনাদের ব্যবহৃত একটি বাংকার আজো অক্ষত অবস্থায় দৃশ্যমান রয়েছে। এই বাংকার মনে করিয়ে দেয় যুদ্ধদিনের ভয়াল স্মৃতি। এখনো পাকসেনাদের বর্বর নির্যাতন, খুন ও ধর্ষনের দুঃসহ স্মৃতি মনে করে শিহরে ওঠেন অনেকেই।

    সংবাদটি শেয়ার করুন

    Read More..

    প্রথম ফ্লাইটে সৌদি আরব গেলেন ৪১০ জন হজযাত্রী
    কর্ণফুলীতে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটের মৃত্যু রাতে নদী থেকে বিমানটি উদ্ধার
    মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত হলে প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে: প্রধানমন্ত্রী
    মনোহরদীতে মডেল মসজিদের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল প্রায় ৫ লাখ টাকা
    আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস
    কক্সবাজার পেকুয়ার ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখে লবণ ওঠাতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই লবণ চাষির মৃত্যু হয়েছে
    আজ পহেলা মে দিবস | প্রতিবছর আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসাবে পালন করা হয
    আজ‌মহান মে দিবস
    নোটিশ :