স্টাফ রিপোর্টার: রকিব হাসান রবিন, নকলা, শেরপুর
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের নিজ পাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ২ ডিসেম্বর সোমবার আনুমানিক সকাল ১০ ঘটিকার দিকে একই গোষ্ঠীর আব্দুস ছালাম (৬০) ও ছেলে রন্জু ( ২৬) কতৃক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মরত ওয়াসিম (২৬) নামে এক সেনা সদস্যকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে।
সেনা সদস্য ওয়াসিম শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর নিজ পাড়া গ্রামের হাশেম আলী উরুফে পেট্রো মিয়ার ছেলে। স্হানীয় সুত্রে জানা যায় মৃত ওয়াসিম সদ্য বিবাহিত। নববধূকে এখানে তার নিজ বাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে আসেনি।
নিহত পারিবারের মাধ্যমে জানা যায় আব্দুস সালাম গং ও নিহত সেনা সদস্য ওয়াসিম আপন জেঠা- ভাতিজা। একি গ্রামের একই জায়গায় পাশাপাশি তারা বসবাস করছে। দীর্ঘদিন যাবত তাদের উভয়ের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কিছুটা মনমালিন্য হয়ে আসছিল।
অন্যদিকে সেনা সদস্য ওয়াসিম কয়েক দিন যাবৎ ছুটি নিয়ে বাড়ি এসেছেন, ঘটনার দিন ২ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১০ টার দিকে ওয়াসিম তাদের ধান ক্ষেত থেকে বাড়ি যাবার সময় তার জেঠা আব্দুস ছালাম ও জেঠাত ভাই রন্জু ধারালো অস্ত্র দিয়ে এ্যালোপাথারী কুপাতে থাকে এবং গলায় ঘোরতর আগাত করে, পরে ডাক চিৎকারে স্হানীয় জনগণ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে ওয়াসিমকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুর সদর উপজেলার দায়িত্বে থাকা সেনা কর্মকর্তা মেজর তাওসিফ তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে প্রথমে শেরপুর জেলা হাসপাতালে, এবং পরে মৃত সেনা সদস্য ওয়াসিম এর বাড়িতে যান।
অন্যদিকে শেরপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) তারেক তার সঙ্গীয় ফোর্সদের সাথে নিয়ে সেনা সদস্য ওয়াসিমের ছুরত হাল সম্পন্ন করেন।
এব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জোবাইদুল আলমের কাছে ওয়াসিমের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ভোরের বানী প্রতিনিধিকে হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। ইতি মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য ( নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ৬ জনকে সেনাবাহিনী ও স্হানীয় জনগণের সহযোগিতায় আটক করা হয়েছে। সেনা সদস্য ওয়াসিম হত্যার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ থানায় পক্রিয়াদিন রয়েছে।