মইনুদ্দিন, জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জ :
এলাকার ভূমি খেকো চাঁদাবাদের যন্ত্রণায় অদৃষ্ট হয়ে পড়ছেন পার্শ্ববর্তী জমির মালিকরা, জগন্নাথপুর হাসিমাবাদ এলাকার, আশিক মিয়া, রফিক মিয়া, শফিক মিয়া সহ অজ্ঞাত সন্ত্রাসবাহিনী নিয়ে বাড়ি জগন্নাথপুর মৃত্যু জালাল উদ্দিনের চারা রকম ভূমির জবরদখল করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে ২০২২ সাল থেকে জগন্নাথপুর গ্রামের মুজিবুর রহমান ও আদম আলী বলেন শাসন মৌজার ১৭০৮ আর এস ৬০ শতাংশ ভূমি ৮, ১০ বছর ধরে বর্গা নিয়ে ফসল ফলাদি জমি নিয়মিত করে আসছেন দুষ্কৃতকারীরা ১৬।নভেম্বর ২০২২, জমিতে ঢুকে অনাদিকারী প্রবেশ করিয়া জোরপূর্বক তাদের সাথে সাঙ্গ পাঙ্গ নিয়ে আমন ফসল কেটে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়, পরে জগন্নাথুর থানার ইনচার্জ বরাবর লিখিত দিলে জগন্নাথপুর থানার পুলিশ ফসল উদ্ধার করে মুজিবুর রহমানের বাড়িতে দিয়ে দেয়, তাই আরো ক্ষুব্ধ আক্রমণ তো হইয়া বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও চাঁদা দাবি করে আসছিল অন্যতায় জমি জোরপূর্বক দখল করবে বলে হুমকি দেয়, তাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অন্যায় অত্যাচার শুরু করে, এক পর্যায়ে তারা অধিষ্ট হয়ে, জমির মালিকে ছেলেদের হাতে জমি হস্তান্তর করে, এবং বলেন তারা পুনরায় দখল করার চেষ্টা ভূমিদস্যুসঙ্গপঙ্গদের কে নিয়ে, জমিনে টাকা বিভিন্ন ধরনের গাছ-গাছালিও হাল চাষ রুপন করলে তাদের পাননাশের ভয় দেখায়,, জগন্নাথপুর থানার ইনচার্জ বরাবর ২১,৭,২০২৫,মৃত্যু জালাল উদ্দিনের ছেলে বিষয় অভিযোগ ও দরখাস্ত করেন, ওসি সাহেব সুস্থ তদন্তর মাধ্যমে দলিলপত্র নিয়ে আসার জন্য বলেন এবং এসআই দীপকের তদন্তর স্বর জমিনেআসার জন্য বলেন, এসআই দীপক পরিদর্শন করে, দুষ্কৃতিকারীদের ২৬,৭,২০২৫জমিনের কাগজপত্র ডকুমেন্ট নিয়ে আসার জন্য থানায় বলেন, সন্ধ্যা আটটার দিকে, তারা উল্টো আইন অমান্য করে, ক্ষিপ্ত হয়ে,ভোরবেলা আশিক রফিক শফিক ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীকে নিয়ে, জমিনে অনাধিকারী প্রবেশ করিয়া, প্লাস্টিকের নেট ও কুটি প্রায় 500 ফুট চতুর্দীকের এরিয়া উকুড়িয়ে পেলে দেয় এবং ২০০ টি হাইব্রিড আম গাছের চারা, কাটান লিচু সহ বিভিন্ন জাতের চারা জমি থেকে উপড়িয়ে জমি সংলগ্ন নদীতে ফেলে দেয়, এবং বলে পুলিশ আমাদের কি করবে, জমির মালিক নুরুদ্দিন গং সাথে যোগাযোগ করিলে তাদের কেতি এবং বলে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, মূমি খেকো চাঁদাবাজদের , দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে, বরাবর অফিসার ইনচার্জ জগন্নাথপুর থানা সুনামগঞ্জ অভিযোগ করেন,