রবিবার, ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৩৭ |
শিরোনামঃ
আগামী ২১ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রার্থীর ভাইয়ের বাড়িতে মৃত ব্যক্তির নামে দোয়া মিলাত করে নির্বাচনী প্রচারণা আদিতমারীতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুদান প্রদান  সখীপুরে সংসদ সদস্যকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ল্যাট্রিনের গর্তে পড়া ছাগল উদ্ধার করতে গিয়ে নিহত ১ গুরুতর আহত ১ কুষ্টিয়া সদর ভূমি কর্মকর্তা না থাকাই নাম খারিজ বন্ধ ফুলছড়িতে নারী কল্যাণ ফেডারেশনের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লা দেবিদ্দার ভয়াবহ ক্রিস্টাল মেথ আইস সহ আটক ৩ মাদক ব্যবসায়ী শরীয়তপুরে অগ্নিকান্ডে ৯ টি দোকান পুরে ছাই লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত ডাক্তার না থাকায় উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত
  • HOME
  • অন্যান্য
  • ত্রিশালে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ , বিচার দাবীতে মানববন্ধন
  • ত্রিশালে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ , বিচার দাবীতে মানববন্ধন

    দৈনিক দেশ প্রতিদিন
    সংবাদটি শেয়ার করুন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের ত্রিশালে গোপন নিয়োগে বাণিজ্য ও প্রতিষ্ঠানে অনিয়মিত হাজিরাসহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের দড়ি কাঁঠাল দাখিল মাদ্রাসা সুপার নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে। এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াতে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় একমাত্র ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দড়ি কাঁঠাল দাখিল মাদ্রাসা। যার বর্তমান শিক্ষক সংখ্যা ১৩ জন ও প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত মাদ্রাসাটিতে এখনো খাতা কলমে শিক্ষক -শিক্ষার্থী থাকলেও বাস্তবে মাদ্রাসায় গিয়ে ২জন শিক্ষক ছাড়া আর কোন শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের পাওয়া যায়নি।

     

    জানা গেছে,- মাদ্রাসা সুপার নুরুল আমিনের স্বেচ্ছাচারিতা,ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য, দূর্নীতি, মাদ্রাসার জমি,পুরাতন টিনসেড ঘর বিক্রি করে অর্থ লোপাট করে নেয়াসহ বিভিন্ন অপকর্মের কারণে চরম বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে মাদ্রাসাটিতে। যে কারণে মাদ্রাসাটির কোন উন্নয়ন নেই,পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী নেই। সুপার ও অন্যান্য সহকারী শিক্ষকদের অনুপস্থিতি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আগ্রহ কমে গেছে বলে অভিযোগ অন্যান্য শিক্ষকদের।সম্প্রতি মাদ্রাসায় একজন সহকারী সুপার,একজন নিরাপত্তা কর্মী, ১জন আয়া পদে নিয়োগে মাদ্রাসা নিয়োগ ভেন্যু পরিবর্তন করে অতি গোপনে নিয়োগ দিয়ে প্রার্থীদের নিকট থেকে প্রায় ৪০লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ আরো বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।তারা এই অনিয়ম দুর্ণীতি নিয়োগ বন্ধ সহ সুপারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবীতে ১৮মার্চ সোমবার সকালে মাদ্রাসার সামনে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ও অভিভাবকরা। মানববন্ধনে বক্তারা সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুসারে শাস্তির দাবি করেন তারা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আব্দুর রহমান এর ভাতিজা ও ম্যানেজিং কমিটির ৫বারের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন ফকির, নাতি শফিকুল ইসলাম, আব্দুস সালাম আজির আলী,মজিবর রহমান ফকির, জিয়াউল হক প্রমুখ।এসময় তারা বলেন- সুপার নুরুল আমিন মাদ্রাসায় আসেনা,নিয়মিত না আসার কারণ মাদ্রাসা শিক্ষার পরিবেশ ভেঙে পড়েছে। নিয়মিত ক্লাস হয়না,মাদ্রাসার পুরাতন ৪টা টিনসেড ঘর ও মাদ্রাসার জমি বিক্রি করে অর্থ লোপাট করে নিয়েছে। সর্বশেষ আমাদের কাউকে না জানিয়ে গোপনে ৩টা নিয়োগে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।অথচ এই মাদ্রাসার যে কোন সমস্যায় আমরা সবসময় এগিয়ে আসি। নিরাপত্তা কর্মী পদে আগ্রহী আব্দুল আল রোমান ও মাজহারুল ইসলাম জানায় সুপার তাদেরকে নিয়োগের ব্যাপারে প্রথমে আশ্বাস দিলেও মুল নিয়োগ পক্রিয়া সম্পন্নের আবেদনের সময় তাদেরকে জানানো হয়নি।

     

    এছাড়াও মাদ্রাসার তহবিলের টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুপারের বিভিন্ন দূর্নীতির বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতিসহ এলাকার গণ্যমান্যরা ঐক্য হয়ে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট পৃথকভাবে অভিযোগ দাখিল করেন।

     

    জানা গেছে-মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটিতে ডাঃ কবির রায়হান সভাপতি,তার বাসার এক কাজের লোককে সদস্য করা হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির বেশীরভাগ সদস্যই অশিক্ষিত, কেউ টিপসহি দেন আবার কেহ কোন রকম নিজের নামটা লিখতে জানেন। এইসব লোক দিয়ে কমিটি সাজিয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগ দেয়ার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই প্রতিষ্ঠানের সাধারণ অভিভাবকগণ। সেই সাথে ব্যাহত হয়ে পড়েছে মাদ্রাসাটির শিক্ষা কার্যক্রম। উদ্ভুত পরিস্থিতি সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

     

    এ ব্যাপারে সুপার নুরুল আমিনের সাথে সাক্ষাত করে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলে মাদ্রাসায় গিয়ে সহকারী মৌলভী আব্দুল কাদের ছিদ্দিকী,সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামসহ দুজন সহকারী শিক্ষক ও দপ্তরী সাইফুল ইসলামকে পাওয়া যায়। এছাড়া মাদ্রাসার আর কোন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকেও পাওয়া যায়নি, সেখানে জানাগেলো শিক্ষক প্রতিনিধি জয়নাল আবেদীন মাদ্রাসায় থাকলেও সাংবাদিক উপস্থিতির কথা জেনে তিনি পালিয়েছেন। পরে সহকারী মৌলভী আব্দুল কাদের ছিদ্দিকী,সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেলো মাদ্রাসা সুপার সহ অন্যান্য শিক্ষকরা অনিয়মিত হওয়ায় তারা দুজনে মিলে ১৩ জনের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ঠিকমত ক্লাস নিতে হিমশিম খাওয়ার কারণে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত থাকেন। নিয়োগের ব্যাপারে তারা অবগত নন বলে দাবী করেন।

     

    পরে সুপার নুরুল আমিনের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন কেটে দেন।

    সংবাদটি শেয়ার করুন

    Read More..

    circular
    “শোক সংবাদ” তার মৃত্যুতে আমরা শোকাভিভূত
    আনোয়ারায় বর আসার আগেই কনে উধাও
    তীব্র তাপদাহের কারণে শ্রমজীবী মানুষের মাঝে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
    ছাত্রলীগ নেতা নিহত মুখলেছুর রহমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ
    ডিডিপি টেলিভিশনের উদ্বোধন গান | শাহীন রেজা সোহরাব
    শুভ উদ্বোধন বাংলাদেশে চালু হলো ডিডিপি টেলিভিশন
    দেশ বাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক মোবারক হোসেন মিলু
    নোটিশ :