নোটিশ:
• সারা বাংলাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে - 01810-535157 (Whatsapp)
ব্রেকিং নিউজ :
ঝিনাইদহে পারিবারিক বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের কোপে পা বিচ্ছিন্ন শৈলকূপায় ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ঝিনাইদহ সদরে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ডিবি পরিচয়ে কোম্পানীগঞ্জে ব্যাংক কর্মকর্তাকে গাড়িতে তুলে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু বেহাল বারৈচা-খামারেরচর ব্রিজ, খানাখন্দে বাড়ছে দুর্ঘটনা-যানজট কাজিপুরে ডেঙ্গু আতঙ্ক: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ৪৪ জন বটিয়াঘাটায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শরীয়তপুরের জাজিরায় সিএনজি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিরব পোদ্দার (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন

কাজিপুরে বাড়ছে লাভজনক কলা চাষ

  • আপডেট সময় সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত

 

মোঃ আব্দুর রব মনসুর,
কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি।

স্বল্প খরচে ও কম সময়ে অধিক ফলন এবং লাভ হওয়ায় কাজিপুরে কলার আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া কলাচাষে উপযোগী, তাই যুক্ত হচ্ছেন নতুন চাষিরাও। সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সর্বত্রই কলার আবাদ হয়ে থাকে। তবে দুর্গম চরাঞ্চলের খাসরাজবাড়ী, নাটুয়ারপাড়া, তেকানী, মাইজবাড়ী, শুভগাছা, নিশ্চিন্তপুর, মনসুর নগর ও চরগিরিশ ইউনিয়নে কলার আবাদ বেশি হয়। এই উপজেলায় সাধারণত সবরি, সাগর ও কাঁচকলার আবাদ বেশি হয়ে থাকে। ব্যাপক চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা কলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বাণিজ্যিক ও পারিবারিকভাবে কলার আবাদ হয়ে থাকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পারিবারিকভাবে লোকজন বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার ধারে ও পরিত্যক্ত জায়গায় কলার আবাদ করছেন। ভালো দাম পাওয়ায় অনেকেই কলাগাছ রোপণ করছেন। নাটুয়ার পাড়া ইউনিয়নের আকবর হোসেন জানান , “জমিতে একবার কলাগাছ লাগানোর পর টানা তিন বছর আবাদ করা হয়। তিন বছর পর সেই জমিতে এক বছর অন্য কোনো ফসলের চাষ করা হয় এবং পরবর্তীতে আবার কলার আবাদ করা হয়। এই এক বছরে এ পর্যন্ত ২০,০০০ টাকা খরচ হয়েছে। এরই মধ্যে কলা বিক্রি করে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ২৫,০০০ টাকা লাভ হয়েছে। আমাদের জায়গা কম, তাই বেশি করে চারা লাগাতে পারি না।” তিনি আরও বলেন, “ তেমন কোনো খরচ নাই, শুধু একবার চারা রোপণ করলেই হয়।” তিনি সকলকে বাড়িতে কলার চারা রোপণের পরামর্শ দেন। পৌর বাজারের কলা ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, কাজিপুরের চরাঞ্চলের কলা থাকলে অন্য এলাকার কলা বিক্রি কম হয়।

কাজিপুরে চাপা কলা: প্রতি ডজন প্রায় ৭০ থেকে ৯০ টাকা।সবরি কলা: প্রতি হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকা (ডজন প্রতি ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা বা প্রতি পিস ১০ টাকা পর্যন্ত)।সাগর বা অন্যান্য সাধারণ কলা: প্রতি ডজন ৪০ থেকে ৬০ টাকা।

কলাচাষিরা বলেন, ‘অন্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি হয়। তাই প্রতিবারই কলাগাছ লাগানো হয়।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম জানান, কাজিপুরের মাটি কলা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় কলার আবাদ বাড়ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2026 দৈনিক দেশ প্রতিদিন
Design & Development By HosterCube Ltd.