পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এই দিনের অনেক মর্যাদা ও ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। জুমার দিনের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে এবং কুরআন ও হাদীসের আলোকে জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনুধাবন করতে প্রধান বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:জুমার দিনের বিশেষ মাহাত্ম্যসপ্তাহের সেরা দিন: জুমার দিনকে দিনের Sardar বা প্রধান দিন বলা হয়েছে।সৃষ্টির ইতিহাস: এই দিনে হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং এই দিনেই তাঁকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়।কিয়ামত সংঘটিত হওয়া: জুমার দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।কোরআনে স্বতন্ত্র সুরা: পবিত্র কোরআনে ‘আল-জুমা’ নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করা হয়েছে।বিশেষ দোয়া কবুল: এই দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা দোয়া করে, আল্লাহ তা কবুল করেন।জুমার দিনের আমল ও সুন্নাহগোসল করা ও সুগন্ধি ব্যবহার: জুমার নামাজের আগে ভালোভাবে গোসল করা, মিসক বা ভালো কাপড় পরা এবং সুগন্ধি লাগানো সুন্নাত।আগে মসজিদে যাওয়া: জুমার আজানের পর সব কাজ বাদ দিয়ে দ্রুত মসজিদে যাওয়া ফরজ। আগে মসজিদে পৌঁছানোর জন্য বড় সওয়াবের ঘোষণা রয়েছে।সুরা কাহাফ পাঠ: জুমার দিনে সুরা কাহাফ পাঠ করলে দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূর বা আলো দ্বারা আলোকিত থাকে।দরুদ পাঠ: নবী করিম (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার নির্দেশ রয়েছে।
আবু নওশের আসাদ চৌধুরী
স্টাফ রিপোর্টার
নেত্রকোনা।