নোটিশ:
• সারা বাংলাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে - 01810-535157 (Whatsapp)
ব্রেকিং নিউজ :
যে কোনো মূল্যে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে হবে:নরসিংদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, মাছের পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন মো:মাহাবুব শেখ নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন মো:মাহাবুব শেখ ওমানের মাস্কাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (MCT) থেকে উড্ডয়ন করা ওমানের প্রথম বাজেট এয়ারলাইন্স ‘সালাম এয়ার’ (SalamAir)-এর উদ্বোধনী ফ্লাইট OV421 বাংলাদেশ সময় সকাল ০৭:৩৫ মিনিটে সিলেটে সফলভাবে অবতরণ সীতাকুণ্ড ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠান কে কেন্দ্র করে বি এন পি দুই গ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, গুলিবিদ্ধ ১ রকেেট লেন্জার ককটেল নিক্ষেপ আহত অনেকে গোয়াইনঘাট উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার রতন কুমার অধিকারীর বিন্নাকান্দি উচ্ছ বিদ্যালয় পরিদর্শন রংপুরে ৪ খুন ডোপ টেস্ট নেগেটিভ কিন্তু হত্যার আগে পরে ৮০ বার কথা হয়েছিল আসামীদেরঃ পুলিশ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে শৈলকূপায় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রক্ষার আহ্বান….বেলাবোতে স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল শরীয়তপুরের জাজিরায় সিয়াম ফকির নামে এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন

সুন্দরবনের উপকূলীয় অর্থনীতিতে কাঁকড়া চাষের নতুন সম্ভাবনা

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮৮ বার পঠিত

সেখ রাসেল, ক্রাইম রিপোটার:
ইউরোপ-আমেরিকায় বাড়ছে রপ্তানি, কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার—প্রয়োজন সরকারি নীতিসহাইতা

সুন্দরবনঘেঁষা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদে জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড় ও কর্মসংস্থানের সংকট দীর্ঘদিনের বাস্তবতা। সেই প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেই অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা হিসেবে সামনে এসেছে কাঁকড়া চাষ ও রপ্তানি। লবণাক্ত পানি ও উপকূলীয় জলাভূমিকে কাজে লাগিয়ে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রসারিত হচ্ছে কাঁকড়া চাষ। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশি কাঁকড়ার চাহিদা।

খাতসংশ্লিষ্ট তথ্য ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকে কাঁকড়া রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাঁকড়া রপ্তানি থেকে প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা বা তার কাছাকাছি বৈদেশিক আয় হওয়ার তথ্য বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। তবে পণ্যভেদ, সময়কাল ও হিসাবপদ্ধতির কারণে রপ্তানি আয়ের পরিসংখ্যানে সূত্রভেদে পার্থক্য রয়েছে।

অন্যদিকে সফটশেল কাঁকড়ার বাজারও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে বাংলাদেশ থেকে ১,২০৭.৭৬ মেট্রিক টন সফটশেল কাঁকড়া রপ্তানি হয়েছে বলে খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৬.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উপকূলে বদলে যাচ্ছে জীবিকার চিত্র : বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরার সুন্দরবনসংলগ্ন বহু পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চিংড়ি চাষ, মাছ ধরা কিংবা বনজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। এখন তাদের একটি অংশ বিকল্প জীবিকা হিসেবে কাঁকড়া চাষ ও মোটাতাজাকরণে যুক্ত হচ্ছে।

বিশেষ করে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জসহ উপকূলীয় এলাকায় সফটশেল কাঁকড়া উৎপাদন স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে। শুধু খামার নয়—কাঁকড়া সংগ্রহ, বাছাই, পরিচর্যা, পরিবহন, প্যাকেজিং, সংরক্ষণ ও বিপণনকে ঘিরেও তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থান।

এখানে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। একটি কাঁকড়া খামার শুধু একজন চাষির আয় সৃষ্টি করে না; এর সঙ্গে যুক্ত হয় শ্রমিক, পরিবহনকর্মী, ব্যবসায়ী, প্যাকেজিং কর্মী, আড়তদার ও রপ্তানিকারকের একটি পূর্ণাঙ্গ সরবরাহব্যবস্থা।

চিংড়ির পাশাপাশি বিকল্প অর্থনৈতিক খাত : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে চিংড়ি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ হলেও রোগবালাই, পানি ব্যবস্থাপনা, বাজারদর ও পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে চাষিরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হন।

তুলনামূলকভাবে কাঁকড়া চাষে উপকূলীয় লবণাক্ত পানি ব্যবহার করা যায় এবং নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনায় অল্প সময়ের মধ্যে বাজারজাতের সুযোগ রয়েছে। ফলে চিংড়ির পাশাপাশি কাঁকড়াকে একটি বিকল্প ও পরিপূরক জলজ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

তবে কাঁকড়া চাষকে চিংড়ির সরাসরি বিকল্প হিসেবে দেখার পরিবর্তে উপকূলের জন্য বহুমুখী জলজ অর্থনীতির অংশ হিসেবে পরিকল্পনা করাই বেশি কার্যকর হতে পারে।

সফটশেল কাঁকড়ায় বড় সম্ভাবনা : বাংলাদেশের কাঁকড়া খাতে সবচেয়ে আলোচিত সম্ভাবনাগুলোর একটি হলো সফটশেল বা নরম খোলসের কাঁকড়া।

খোলস পরিবর্তনের সময় কাঁকড়ার দেহ নরম হয়ে যায়। সেই পর্যায়কে কাজে লাগিয়ে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন ও সংগ্রহ করা হয় সফটশেল কাঁকড়া। আন্তর্জাতিক বাজারে এ ধরনের কাঁকড়ার চাহিদা ও মূল্য তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এটি রপ্তানিমুখী উৎপাদনের জন্য বিশেষ সম্ভাবনাময়।

চীন, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ইউরোপের বাজারেও বাংলাদেশি কাঁকড়ার চাহিদা রয়েছে। বিশ্ববাজারে এই চাহিদাকে কাজে লাগাতে পারলে উপকূলীয় অঞ্চলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার সংখ্যা আরও বাড়ানো সম্ভব।

নারীর কর্মসংস্থানেও সুযোগ : কাঁকড়া খাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নারীর অংশগ্রহণ। খামার ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি কাঁকড়া বাছাই, পরিষ্কার, প্যাকেজিং ও প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরসহ সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় কাঁকড়াকে ঘিরে পরিবারের আয় বাড়ার উদাহরণও পাওয়া যায়।

অর্থাৎ, সঠিক পরিকল্পনা করা গেলে কাঁকড়া খাত উপকূলের নারী ও যুবকদের স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।

দুই ধরনের উৎপাদন, দুই ধরনের সম্ভাবনা : বাংলাদেশে কাঁকড়া উৎপাদনে প্রধানত দুটি পদ্ধতি প্রচলিত—ফ্যাটেনিং বা মোটাতাজাকরণ এবং সফটশেল উৎপাদন।

মোটাতাজাকরণে ছোট বা কিশোর কাঁকড়া নির্দিষ্ট ঘের বা জলাশয়ে রেখে খাবার দিয়ে বড় করা হয়। নির্দিষ্ট আকার ও ওজন অর্জনের পর তা বাজারজাত করা হয়।

অন্যদিকে সফটশেল উৎপাদনে কাঁকড়ার খোলস পরিবর্তনের সময়কে কাজে লাগানো হয়। বিশেষ ব্যবস্থাপনায় রাখা কাঁকড়া খোলস ছাড়ার পর দ্রুত সংগ্রহ করে বাজারজাত করা হয়।

দুটি পদ্ধতিকেই আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও মানসম্মত ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে পারলে উৎপাদনশীলতা ও রপ্তানি সক্ষমতা আরও বাড়তে পারে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পোনা আসবে কোথা থেকে?

কাঁকড়া রপ্তানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত প্রশ্নও সামনে এসেছে—প্রাকৃতিক উৎস থেকে অতিরিক্ত কাঁকড়া আহরণ।

সুন্দরবনের নদী-খাল ও জলাভূমি থেকে নির্বিচারে কাঁকড়া সংগ্রহ করা হলে প্রাকৃতিক মজুতের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। নিষিদ্ধ বা ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের কারণে অন্যান্য জলজ প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

তাই কাঁকড়া খাত সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে হ্যাচারিতে মানসম্মত পোনা উৎপাদন, কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব চাষব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

সরকারি নীতিতে এই বিষয়টি অগ্রাধিকার পেলে একদিকে রপ্তানি বাড়বে, অন্যদিকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

সরকারের জন্য এখনই করণীয় : কাঁকড়া খাতকে বিচ্ছিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা হিসেবে না দেখে একটি পরিকল্পিত রপ্তানিমুখী শিল্পখাত হিসেবে বিবেচনা করার সময় এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ জন্য কয়েকটি বিষয়ে দ্রুত সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন—

১. কাঁকড়া চাষিদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা। ২. সহজ শর্তে স্বল্পসুদের ঋণ ও উদ্যোক্তা সহায়তা। ৩. সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে আধুনিক কাঁকড়া হ্যাচারি স্থাপন। ৪. মানসম্মত কাঁকড়ার পোনা উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা। ৫. রোগ নির্ণয় ও রোগ ব্যবস্থাপনার জন্য উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সেবা সম্প্রসারণ। ৬. কোল্ডচেইন, সংরক্ষণ ও আধুনিক প্যাকেজিং সুবিধা তৈরি। ৭. আন্তর্জাতিক খাদ্যনিরাপত্তা ও মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা। ৮. রপ্তানিকারকদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন ক্রেতা অনুসন্ধান ও বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা। ৯. সুন্দরবন ও প্রাকৃতিক জলাভূমি থেকে কাঁকড়া আহরণে কার্যকর নজরদারি। ১০. উপকূলীয় অঞ্চলে কাঁকড়া চাষের জন্য পরিবেশসম্মত জোনভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ।

বাগেরহাটে হতে পারে ‘ক্র্যাব ইকোনমি’ হাব : সুন্দরবনের প্রবেশদ্বারখ্যাত বাগেরহাটের ভৌগোলিক অবস্থান, উপকূলীয় পরিবেশ, জলাশয় এবং কাঁকড়া উৎপাদনের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে এখানে একটি সমন্বিত কাঁকড়া উৎপাদন ও রপ্তানি অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

একটি নির্দিষ্ট এলাকায় হ্যাচারি, চাষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সংগ্রহকেন্দ্র, মাননিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরি, কোল্ডস্টোরেজ, প্যাকেজিং সেন্টার এবং রপ্তানি সহায়তা অবকাঠামো গড়ে উঠলে কাঁকড়া খাতের উৎপাদন থেকে রপ্তানি পর্যন্ত পুরো মূল্যশৃঙ্খলকে একই কাঠামোর মধ্যে আনা সম্ভব।

এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান যেমন বাড়বে, তেমনি পরিবহন, প্যাকেজিং, খাদ্য সরবরাহ, যন্ত্রপাতি ও ক্ষুদ্র ব্যবসারও প্রসার ঘটবে।

সুন্দরবন রক্ষা করেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন :কাঁকড়া রপ্তানির সম্ভাবনা বড় হলেও সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্যের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদকে অতিরিক্ত আহরণ করে কাঁকড়া খাত সম্প্রসারণ করা হলে দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল টেকসই হবে না।

তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত—‘সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া নয়, সুন্দরবনঘেঁষা এলাকায় টেকসই কাঁকড়া চাষ।’

পতিত ও লবণাক্ত জমি, উপযুক্ত জলাশয় এবং পরিবেশসম্মত চাষপদ্ধতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়াতে পারলে সুন্দরবনের ওপর চাপ না বাড়িয়েই এই খাতকে সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

উপকূলের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত : জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরার উপকূলীয় মানুষের জন্য কাঁকড়া চাষ শুধু একটি কৃষি বা মৎস্য কার্যক্রম নয়; এটি হতে পারে বিকল্প জীবিকা, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ের নতুন ভিত্তি।

বিশ্ববাজারে কাঁকড়ার চাহিদা আছে, বাংলাদেশের উপকূলে উৎপাদনের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে এবং স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতাও তৈরি হয়েছে। এখন প্রয়োজন সমন্বিত সরকারি নীতি, আধুনিক প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা।

সঠিক পরিকল্পনা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সুন্দরবনঘেঁষা উপকূলের কাঁকড়া খাত ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও স্থানীয় কর্মসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিণত হতে পারে।

সুন্দরবনকে রক্ষা করে, উপকূলের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে—কাঁকড়া হতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2026 দৈনিক দেশ প্রতিদিন
Design & Development By HosterCube Ltd.