মো: মফিজুর রহমান,ঢাকা:
রাজপথের অগ্নিকন্যা
প্রফেসর ফরহানা ইয়াসমিন রুবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী,
বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির প্রেসিডিয়াম মেম্বার (২০২৫),
সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি – নারায়ণগঞ্জ জেলা।
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি – নারায়ণগঞ্জ জেলা (২০০৪)।
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি – রূপগঞ্জ থানা (১৯৯৯)।
সহ-সভাপতি, ছাত্রদল – ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯৩)।
অর্থ সম্পাদক, ছাত্রদল – রোকেয়া হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯৩)।
মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল
প্রফেসর ফরহানা ইয়াসমিন রুবি একজন আদর্শিক, শিক্ষিত, ত্যাগী ও সংগ্রামী নেত্রী।
নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আজ যে নামটি উচ্চারিত হলেই তৃণমূল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার হয়, তিনি হলেন ফরহানা ইয়াসমিন রুবি আপা। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, নিরলস পরিশ্রম, আদর্শের প্রতি অটল অবস্থান এবং দুঃসময়ে সাহসী নেতৃত্ব—সব মিলিয়ে তিনি আজ নারায়ণগঞ্জ রাজনীতিতে এক আস্থার প্রতীক।
দলের সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব থেকেছেন, তখন রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতি, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখার ক্ষেত্রে ফরহানা ইয়াসমিন রুবি আপা ছিলেন দৃঢ় ও আপসহীন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সাহস জোগানো এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল রাখা—এসব গুণে তিনি হয়ে উঠেছেন একজন পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত নেত্রী।
ত্যাগীদের মূল্যায়নের প্রশ্নে যদি ন্যায্যতার মানদণ্ড স্থাপন করা হয়, তবে ফরহানা ইয়াসমিন রুবি আপা নিঃসন্দেহে অগ্রসারির কাতারে থাকবেন—এমনটাই বিশ্বাস নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক সচেতন মহলের।
তার অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা এবং জনসম্পৃক্ততা তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য একটি যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, জাতীয় সংসদে এমন একজন নারী প্রতিনিধির উপস্থিতি প্রয়োজন, যিনি শুধু পদ-পদবীর জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার, নারীর সম্মান, ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের প্রশ্নে দৃঢ় কণ্ঠস্বর তুলতে সক্ষম।
আজ নারায়ণগঞ্জবাসীর এই প্রত্যাশা আর শুধু ব্যক্তিগত মত নয়—এটি রূপ নিয়েছে এক গণদাবিতে।
ত্যাগ, আদর্শ, সাহস ও সংগঠনের প্রতি অবিচল নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবেই তারা জাতীয় সংসদে প্রফেসর ফরহানা ইয়াসমিন রুবি আপাকে দেখতে প্রত্যাশা করেন।