মোহাম্মদ মইনুদ্দিন,সুনামগঞ্জ :
সুনামগঞ্জ জগন্নাথপুর উপজেলায় অনেক কৃষক অভিযোগ করেন কৃষি কাজের ব্যস্ততা লাগাতার বৃষ্টি ও কারেন্ট না থাকার কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের ২৯ এপ্রিল ২০২৬ সালের এপ্রিল-মে মাসে বাংলাদেশে, বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে (সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা) প্রবল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এই পরিস্থিতিতে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক উপজেলা কৃষি অফিসে নাম তালিকাভুক্ত করতে পারেননি, যার ফলে তারা সরকারি সহায়তার বাইরে থেকে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।এ বিষয়ে জানা সাম্প্রতিক তথ্যাদি নিচে দেওয়া হলো:সহায়তার ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী এবং কৃষি মন্ত্রণালয় হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে আগামী ৩ মাস বিশেষ সহায়তা (খাদ্য ও পুনর্বাসন) দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ।তালিকাভুক্তি সমস্যা: স্থানীয় প্রশাসন তালিকা তৈরি করছে, কিন্তু অনেক কৃষক জানিয়েছেন তারা নাম দিতে পারেননি। অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা কৃষক তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন বা সঠিক তথ্য পাচ্ছেন না কৃষি অফিসের ভূমিকা: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে, তারা ২০ এপ্রিল থেকে দ্রুত ধান কাটার জন্য সমন্বয় করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে ।কৃষক কার্ডের উদ্যোগ: সরকার 2026 এর মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীভূত ডিজিটাল রেজিস্ট্রি তৈরির কাজ করছে, যা ভবিষ্যতে এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে [করণীয়: ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা অবিলম্বে তাদের নিজ নিজ ইউনিয়নের দায়িত্বরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO) অথবা উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে নাম তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করতে পারেন হাওরাঞ্চলে প্রায় ৪১ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে, যার ফলে কৃষকরা আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাসের বিশেষ সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীApr 29, 2026 — ক্ষতিগ্রস্ত এসব কৃষকদের আগামী তিন মাস নিরবচ্ছিন্নভাবে বিশেষ সরকারি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ও নেত্রকোনা