সেলিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম :
জুলাই অভ্যুত্থানের ওপর মুলতবি আলোচনা চলছে সংসদ অধিবেশনে। সরকার থেকে এ কারণে অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ করে।
শহীদ পরিবার থেকে অনেক বাবা-মা এবং আহত অনেকে আসেন সংসদ অধিবেশনে আলোচনা শুনতে।
কাহিনি শুরু হয় সংসদের প্রথম সেশনের বিরতি শুরু হলে। এনসিপির হান্নান মাসুদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। এনসিপির এই হান্নান মাসুদ এক পর্যায়ে আঙুল উঁচিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে শাসান তাদেরকে, কেন সরকারের ইনভাইটেশনে তারা সাড়া দিয়ে অধিবেশন শুনতে এসেছেন! খুবই বাজে বিহেভ করেছেব হান্নান। তার সঙ্গে জামায়াতের কয়েকজন সংসদ সদস্যও।
এই ঘটনার পরই মাগরিবের নামাজের বিরতিতে প্রধানমন্ত্রী রহমান নামাজ শেষ করে এসে সোজা চলে গেলেন অতিথি গ্যালারিতে৷
গ্যালারিতে বসে থাকা সকল আহত যোদ্ধা এবং শহীদদের বাবা-মায়ের সঙ্গে পারসন-টু-পারসন ক্লোজলি কথা বলেন, তাদের খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি তাদের দাবিদাওয়া শুনেন এবং উনার সহকারীকে নোট করে নিতে বলেন।
নির্বাচনের আগে দেখেছি, বিরোধীরা একেকটি জনসভায় তারেক রহমানের সমালোচনায় পার করতেন, নিজেদের কোনো পরিকল্পনা না-শুনিয়ে; অন্যদিকে তারেক রহমান সেসব সমালোচনার কাউন্টারে সময় ব্যয় না করে প্রতিটি জায়গায় রাষ্ট্র গঠনে প্রতি সেক্টর নিয়ে উনার ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরতেন মানুষের সামনে। আমি নিজে তার অন্তত ১০টি নির্বাচনী জনসভার বক্তৃতা নোট করেছি।
আজকে সংসদের ভেতরে শহীদ পরিবারের বাবা-মা এবং আহতদের সঙ্গে বিরোধীদলের সদস্যদের অসম্মানজনক আচরণের পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের সকলের কাছে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি তাদের চাওয়া