মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বাবু,রাজশাহী :
এনিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ফলে ডাক্তারদের ভিজিট বা পরামর্শ ফি সরকারিভাবে নির্ধারণ করে দেওয়ার দাবি জানান সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। পোষ্টে দেখা যায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের নিউরো সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ লাইলাতুল কাদির মিল্কী রয়্যাল হাসপাতালের ১০৬ নম্বর রুমে রোগী দেখেন। তাঁর ভিজিট ছিলো এক হাজার টাকা।
হঠাৎ ৫০০ টাকা বাড়িয়ে তিনি ভিজিট করেছেন দেড় হাজার টাকা।
আবার রোগী দেখে তিনি যে টেস্ট দেবেন, তার পুরো রিপোর্ট ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে দেখাতে হবে। যদি ১০ দিনের মধ্যে কেউ রিপোর্ট দেখাতে না পারলে, তাকে আবারও দেড় হাজার টাকা গুনতে হবে।
রিপোর্ট আবার তিনি রয়্যাল হাসপাতালে দেখবেন না। রোগীকে রিপোর্ট দেখাতে যেতে যেতে হবে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ১১ তলায় ১১০৩ নম্বর রুমে। আবার রোগী টেস্ট রিপোর্ট হাতে পেলেই ডাক্তারকে দেখাতে পারবেন না।
ডাক্তার রিপোর্ট দেখবেন এশার নামাজের পর।
সেই পর্যন্ত রোগীকে অপেক্ষা করতেই হবে।
রাজশাহীর বাইরে থেকে আসা কয়েকজন রোগী জানান, ডাক্তারকে ফি দিয়ে দেখানোর পরও টেস্টের রিপোর্ট এশার নামাজের পর দেখার কারনে তাদের বাড়তি টাকা খরচ করে একদিন রাজশাহীতে থাকতে হয়।