দেলোয়ার হোসাইন (ভূঁইয়া) চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের বর্তমানে পর্যটক কেন্দ্র গুলোর সাথে নতুন ভাবে প্রকাশিত হয়েছে সীতাকুণ্ড! সারাদেশ থেকে আগত পর্যটকদের কে দৃষ্টি আকর্ষণ ও হৃদয় শীতল করে, একদিকে পাহাড় অন্যদিকে সমুদ্রের ঢেউ! আরও নানা রকমের কল্পনাশক্তি ও বাস্তবে উপভোগ করার মতোই রয়েছে অসংখ্য আল্লাহর সৃষ্টি নেয়ামত। সীতাকুণ্ডে সারাদেশ থেকে দর্শনার্থীদের কাফেলা ঘুরতে আসেন, এটা আমাদের সীতাকুণ্ড বাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয় হলো, সীতাকুণ্ড পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ে রোড সংলগ্ন দীর্ঘদিন পর্যন্ত, গরু জবাই করার পরে গরুর নাড়িভুড়ি রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হতো, তার সাথে বেশ কয়েক বছর ধরে যোগ হয়েছে, পৌরসভায় অবস্থিত বাসা বাড়ি, হোটেল রেস্তোরাঁ, কলকারখানার সহ ইত্যাদি যত ধরনের ময়লা আবর্জনা রয়েছে, সব কিছুর ফেলবার নিরাপদ জায়গা যেন, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন এই জায়গা যেন ময়লা আবর্জনা রাখার নিরাপদ জায়গা! পৌরসভার ময়লা আবর্জনা বাহী ট্রাক কিংবা ভ্যানে করে যখন ময়লাগুলো নিয়ে ফেলে আসে, তখন মনে হয় আশে পাশে কমপক্ষে এক কিলোমিটারের মধ্যেই, কোন মানুষের বসবাস নেই! অথচ, এই মহাসড়ক দিয়ে সড়ক পথে অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত, বাংলাদেশের কোন মন্ত্রী, এমপি কিংবা সরকারি বেসরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা চলাচল করেন নাই যে, এমন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে। অথচ এই দৃশ্য সবার চোখে পড়লেও ময়লার দুর্গন্ধ তাদের নাকের ডগায় পৌঁছে যেতে সক্ষম হয়নি! কারণটা হলো, তারা তো এসি বিলাসবহুল গাড়ি তে করে আসা যাওয়া করে! তাদের নাকে যদি আমাদের এবং আগত পর্যটকদের মতো দুর্গন্ধের ভালোবাসা আলিঙ্গন করতে পারতো! তাহলে অবশ্যই এই সমস্যার জট দীর্ঘ বছর পর্যন্ত ভোগান্তির কারণ হতো না!
এই দুর্গন্ধ নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশনে, একাদিক বার খবর প্রচার হওয়ার পরে ও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যেই মারাত্মক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে!
আরেক দুঃখের বিষয় হলো, পরিবেশ রক্ষা করার জন্য ময়লা আবর্জনা না ফেলতে সাইনবোর্ড লাগানো হলেও, সরকারি ভাবে গাড়ি দিয়ে সেখানে প্রতিনিয়ত ময়লা ফেলে যাচ্ছে!
সীতাকুণ্ডে আগত পর্যটক ও শরনার্থীদের অভিযোগ এই আবর্জনা ও দুর্গন্ধ নিয়ে!
পরিবেশ বান্ধব সরকারি বেসরকারী, কর্মকর্তারা আন্তরিক ভাবে এগিয়ে এসে এই দূষিত করন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে, আন্তরিক ভাবে, বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার জন্য, সীতাকুণ্ডের সচেতন মহল আপনাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম ৪ সীতাকুণ্ড আসনে নবনির্বাচিত এমপি লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসি এর প্রতি-ও সীতাকুণ্ডে আগত পর্যটক ও জনসাধারণ সবিনয়ে আন্তরিক অনুরোধ জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে সুন্দর একটা সমাধান সীতাকুণ্ড বাসী এমপির কাছ থেকে প্রত্যাশা করেন।