নোটিশ:
• সারা বাংলাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে - 01810-535157 (Whatsapp)
ব্রেকিং নিউজ :
সীতাকুণ্ড রেষ্টুরেন্ট উদ্বোধন কুলিয়ারচরে কিশোরীকে গণধ*র্ষণ: ৩ অভিযুক্ত গ্রেফতার আদালতে প্রেরণ সীতাকুন্ড র‍্যাবের অভিযানে ১১৫৬০ বস্তা সরকারি চাউল জব্দ গ্রেফতার ১ নিকলীতে হিফজ ছাত্র নিখোঁজ: অভিযোগ গুজব ও মব উত্তেজনার পর উদ্ধার বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম নার্সিং কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস ডে পালিত সীতাকুণ্ডে খাদ্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে প্রায় ৫৭৮ টন চাল জব্দ অপরাধ দমন অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের বিশেষ সাফল্য নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর জোর মেহেরপুরে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জাল জব্দ  সীতাকুণ্ডে সরকারি দায়িত্ব পালন করার সময়, রেললাইনের গেইড ম্যানের উপরে হামলা

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবার: প্রজন্মজুড়ে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা

  • আপডেট সময় বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৪ বার পঠিত

মো: মফিজুর রহমান,ঢাকা:

 

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ফরিদপুর অঞ্চলের একটি প্রভাবশালী ও ঐতিহ্যবাহী পরিবারের নাম বারবার উঠে আসে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই পরিবার দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

বর্তমানে এই পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় সংসদের সদস্য নায়াব ইউসুফ দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সরকারদলীয় একজন সক্রিয় সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচিত।

তার পিতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ছিলেন দেশের একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তারের সময়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ১৯৯১ ও ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

পরিবারের আরেক সদস্য চৌধুরী আকমল ইবনে ইউসুফ, যিনি বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই পরিবারের রাজনৈতিক শিকড় আরও গভীরে প্রোথিত। নায়াব ইউসুফের দাদা ইউসুফ আলী চৌধুরী, যিনি ‘মোহন মিয়া’ নামে অধিক পরিচিত, ছিলেন পাকিস্তান আমলের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য। তার ভাই চৌধুরী আব্দুল্লাহ জহির উদ্দিন, যিনি ‘লাল মিয়া’ নামে পরিচিত, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ইতিহাসে এই দুই ভাইয়ের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

পরিবারটির মূল ভিত্তি স্থাপন করেন জমিদার ময়েজ উদ্দিন, যিনি ফরিদপুর ও রাজবাড়ী অঞ্চলে বিস্তীর্ণ জমিদারির মালিক ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পারিবারিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই পরিবারটি অন্য প্রভাবশালী পরিবারের সাথে যুক্ত। মোহন মিয়া বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পীর দুদু মিয়ার বোনের সাথে। পীর দুদু মিয়া ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য।

বর্তমানে সেই ধারাবাহিকতায় পীর দুদু মিয়ার নাতি পীরজাদা হানজালা জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবারটি শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবারই নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা দেশের রাজনীতিতে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2024 দৈনিক দেশ প্রতিদিন
Design & Development By HosterCube Ltd.