দেলোয়ার হোসাইন (ভূঁইয়া) চট্টগ্রামঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ট্রেনে কাটা পড়ে মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫) নামে এক ট্রেন কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকালে উপজেলার বাড়বকুণ্ড রেলস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রফিকুল ইসলাম চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানার গোড়ামারা গ্রামের মৃত আমীর হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীতাকুণ্ডের রেলগেট এলাকায় বসবাস করতেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্র ও রেলওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল প্রায় ৯টার দিকে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেস বাড়বকুণ্ড রেলস্টেশন অতিক্রম করছিল। এ সময় রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করলে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন রফিকুল ইসলাম। খবর পেয়ে রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পকেটে থাকা পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। রেলওয়ে পুলিশ জানায়, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের মতে, অসতর্কভাবে রেললাইন পারাপার ও নিরাপত্তা সচেতনতার অভাবের কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। তারা রেললাইনে নিরাপত্তা জোরদার ও সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।
শত শত যাত্রী বাঁচাতে নিজের জীবন উৎসর্গ!লোহা চুরে রেলের প্লেট,পিন চুরি করে নিয়ে গেছেন বাড়বকুণ্ড এলাকায়, রেল কর্মী রফিকুল ইসলাম সকালে এসে দেখে দ্রুত মেরামতে লেগে যান। ট্রেন এসে গেলে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। কাজের মধ্যে খেয়াল করেননি কখন ট্রেন এসে গেছে। শরীর ছিন্নভিন্ন করে দিল।
তাহলে এই মৃত্যুর জন্য দায়ী কে? নিশ্চয় রেলের প্লেট,পিন চোর। একটা জীবন কর্মের মধ্যেই উৎসর্গ করে দিলেন,কিন্তু কি পাবেন তিনি? তার সন্তান? তিনিতো ছিলেন চতুর্থ শ্রেনী কর্মচারী। তার মূল্য কি? আসলে প্রকৃত কথা হলো, একজন দায়িত্বশীল দেশ প্রমিক প্রকৃত নাগরিক তো এমনই হয়, তারা মরেও মরেনা, তারা দেশের মানুষের ভালোবাসায় চির অম্লান হয়ে ইতিহাস হয়ে থাকবেন।