মো. কবির হোসেন রাজিব,গাজীপুর,
জাতীয় দৈনিক নাগরিক ভাবনা পত্রিকার ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি ও সপ্তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে গাজীপুরের কালীগঞ্জে আলোচনা সভা, কেক কাটা, ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন। সাধারণ সম্পাদক মোঃ নোমান-এর সঞ্চালনায় এবং দৈনিক নাগরিক ভাবনার কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি মোস্তাক আহমেদ-এর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জাকারিয়া আল মামুন বলেন, “দৈনিক নাগরিক ভাবনা শুধু একটি পত্রিকা নয়, এটি সত্য প্রকাশের এক দৃঢ় অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পত্রিকাটি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও প্রত্যাশার কথা সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেছে। গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ—তাই বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার বিকল্প নেই।”
পরবর্তী বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক দেশ প্রতিদিন গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ও কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন রাজিব। তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা কেবল পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্ব। বর্তমান সময়ে তথ্যের ভিড়ে সত্যকে তুলে ধরা বড় চ্যালেঞ্জ। তাই আমাদের আরও দায়িত্বশীল ও পেশাদার হতে হবে। নাগরিক ভাবনা অতীতের মতো আগামীতেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সমাজের অসঙ্গতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখবে—এটাই প্রত্যাশা।”
এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি আব্দুর রহমান, সাংবাদিক মনকির হোসেন, বিক্রম শীলসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আনোয়ার হোসেন, মানবাধিকার কর্মী মুজিবুর মোড়ল, সাংবাদিক মনজুর হোসেন ও সুব্রত দাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, নাগরিক ভাবনা ইতোমধ্যে পাঠকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে এবং দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। আগামী দিনেও পত্রিকাটি বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে অবদান রাখবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
আলোচনা সভা শেষে সপ্তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
উৎসবমুখর ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, পেশাগত ঐক্য ও গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।