নোটিশ:
• সারা বাংলাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে - 01810-535157 (Whatsapp)
ব্রেকিং নিউজ :
সীতাকুণ্ড রেষ্টুরেন্ট উদ্বোধন কুলিয়ারচরে কিশোরীকে গণধ*র্ষণ: ৩ অভিযুক্ত গ্রেফতার আদালতে প্রেরণ সীতাকুন্ড র‍্যাবের অভিযানে ১১৫৬০ বস্তা সরকারি চাউল জব্দ গ্রেফতার ১ নিকলীতে হিফজ ছাত্র নিখোঁজ: অভিযোগ গুজব ও মব উত্তেজনার পর উদ্ধার বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম নার্সিং কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস ডে পালিত সীতাকুণ্ডে খাদ্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে প্রায় ৫৭৮ টন চাল জব্দ অপরাধ দমন অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের বিশেষ সাফল্য নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর জোর মেহেরপুরে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জাল জব্দ  সীতাকুণ্ডে সরকারি দায়িত্ব পালন করার সময়, রেললাইনের গেইড ম্যানের উপরে হামলা

পূর্ব শত্রুতার জেরে পাকা ধানে বিষ প্রয়োগ ও সেচযন্ত্র ভাঙচুর থানায় অভিযোগ

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ৪২ বার পঠিত

 

 

মো:এরশাদ হোসেন,বগুড়া:
বগুড়ার শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০ শতাংশ জমির আধা-পাকা ধানে বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করা এবং সাবমার্সিবল ও গভীর নলকূপের যন্ত্রাংশ ভাঙচুর ও চুরির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক ফরিদ উদ্দিন খান ফিরোজ মঙ্গলবার ৫মে দুপুরে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন সুঘাট ইউনিয়নের কল্যানী গ্রামের মৃত হারান শেখের ছেলে জহুরুল ইসলাম জহির এবং বেলগাছি গ্রামের মৃত শাহেব আলী শেখের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক।
অভিযোগ ও সরেজমিন সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ফরিদ উদ্দিন খান ফিরোজ গত ২০ বছর পূর্বে বেলগাছি এলাকায় জমি ক্রয় করে চাষাবাদ করে আসছিলেন। কিন্তু ওই জমি নিজের দাদির দাবি করে দখলের চেষ্টা চালান অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম জহির। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়া হলেও জমি না পেয়ে ক্ষিপ্ত হন জহির। এরপর থেকেই তিনি ফরিদ উদ্দিনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ মে দিবাগত রাতে ওই জমির ২০ শতক আধা-পাকা ধানে বিষ প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে ফসলটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, জমিতে থাকা সাবমার্সিবল পাম্পটি ভেঙে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে এবং গভীর নলকূপের তারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ লুট ও নষ্ট করা হয়েছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী ফরিদ উদ্দিন বলেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে, কিন্তু এই অবলা ফসলের সাথে এ কেমন শত্রুতা? আবাদী ফসল এভাবে নষ্ট করে দেওয়া আমার কলিজাতে আঘাত লেগেছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের কঠিন বিচার চাই।
তবে অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম জহির জমি নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করলেও বিষ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি গত এক বছর ওই গ্রামে যাইনি। মানবতার খাতিরে ওই জমির দাবি আমি আগেই ছেড়ে দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মঈনুদ্দীন বলেন, ধান নষ্ট ও সেচযন্ত্র ভাঙচুরের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

মো:এরশাদ হোসেন,বগুড়া:

বগুড়ার শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০ শতাংশ জমির আধা-পাকা ধানে বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করা এবং সাবমার্সিবল ও গভীর নলকূপের যন্ত্রাংশ ভাঙচুর ও চুরির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক ফরিদ উদ্দিন খান ফিরোজ মঙ্গলবার ৫মে দুপুরে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন সুঘাট ইউনিয়নের কল্যানী গ্রামের মৃত হারান শেখের ছেলে জহুরুল ইসলাম জহির এবং বেলগাছি গ্রামের মৃত শাহেব আলী শেখের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক।

অভিযোগ ও সরেজমিন সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ফরিদ উদ্দিন খান ফিরোজ গত ২০ বছর পূর্বে বেলগাছি এলাকায় জমি ক্রয় করে চাষাবাদ করে আসছিলেন। কিন্তু ওই জমি নিজের দাদির দাবি করে দখলের চেষ্টা চালান অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম জহির। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়া হলেও জমি না পেয়ে ক্ষিপ্ত হন জহির। এরপর থেকেই তিনি ফরিদ উদ্দিনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ মে দিবাগত রাতে ওই জমির ২০ শতক আধা-পাকা ধানে বিষ প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে ফসলটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, জমিতে থাকা সাবমার্সিবল পাম্পটি ভেঙে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে এবং গভীর নলকূপের তারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ লুট ও নষ্ট করা হয়েছে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী ফরিদ উদ্দিন বলেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে, কিন্তু এই অবলা ফসলের সাথে এ কেমন শত্রুতা? আবাদী ফসল এভাবে নষ্ট করে দেওয়া আমার কলিজাতে আঘাত লেগেছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের কঠিন বিচার চাই।

তবে অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম জহির জমি নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করলেও বিষ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি গত এক বছর ওই গ্রামে যাইনি। মানবতার খাতিরে ওই জমির দাবি আমি আগেই ছেড়ে দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মঈনুদ্দীন বলেন, ধান নষ্ট ও সেচযন্ত্র ভাঙচুরের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2024 দৈনিক দেশ প্রতিদিন
Design & Development By HosterCube Ltd.