মো আরিফুল ইসলাম, মৌচাক:
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই দ্বৈত ভোট উৎসবে অংশ নিতে রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলো থেকে নাড়ির টানে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে লাখ লাখ মানুষ। শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের এই উপচে পড়া ভিড়ে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে তৈরি হয়েছে চরম যাত্রীচাপ।
ঘরমুখো মানুষের ঢল ও ভোগান্তি
সরেজমিনে গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি কাউন্টারেই যাত্রীদের দীর্ঘ সারি। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন, অতিরিক্ত চাহিদার সুযোগে কিছু পরিবহন সংস্থা বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের আধিক্যের কারণে ধীরগতিতে চলছে গাড়ি, যার ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
যানজট নিরসনে পুলিশের তৎপরতা
যাত্রীদের এই ভোগান্তি কমাতে এবং যানজট নিরসনে রাজপথ ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ।
• অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন: বড় মোড়গুলোতে পুলিশের বাড়তি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
• ড্রোন ও প্রযুক্তি ব্যবহার: যানজট পর্যবেক্ষণ ও অপরাধ দমনে অনেক এলাকায় ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
• কড়াকড়ি: নির্বাচনকালীন নিরাপত্তার স্বার্থে মোটরসাইকেল ও নির্দিষ্ট কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে চেকপোস্টগুলোতে তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচন ও গণভোটের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোতে হাইওয়ে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।
নির্বাচনকালীন যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ
উল্লেখ্য যে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ রাত ১২টার