নোটিশ:
• সারা বাংলাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে - 01810-535157 (Whatsapp)
ব্রেকিং নিউজ :
সীতাকুণ্ড রেষ্টুরেন্ট উদ্বোধন কুলিয়ারচরে কিশোরীকে গণধ*র্ষণ: ৩ অভিযুক্ত গ্রেফতার আদালতে প্রেরণ সীতাকুন্ড র‍্যাবের অভিযানে ১১৫৬০ বস্তা সরকারি চাউল জব্দ গ্রেফতার ১ নিকলীতে হিফজ ছাত্র নিখোঁজ: অভিযোগ গুজব ও মব উত্তেজনার পর উদ্ধার বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম নার্সিং কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস ডে পালিত সীতাকুণ্ডে খাদ্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে প্রায় ৫৭৮ টন চাল জব্দ অপরাধ দমন অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের বিশেষ সাফল্য নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর জোর মেহেরপুরে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জাল জব্দ  সীতাকুণ্ডে সরকারি দায়িত্ব পালন করার সময়, রেললাইনের গেইড ম্যানের উপরে হামলা

ফেনী জেলায় পৌরশহর গুলোতে মাংসের বাজারে অস্থিরতা লোকসান এড়াতে হিমশিম বিক্রেতারা

  • আপডেট সময় রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৬ বার পঠিত

মোঃ ফেরদৌস আলম জাহির,ফেনী:

 

বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির মিছিলে যোগ দিয়েছে গরুর মাংস। তবে সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগের তীরের মুখে থাকা মাংস বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, পশুর চড়া দাম এবং আনুষঙ্গিক খরচের চাপে মাংসের দাম বাড়িয়েও লাভের মুখ দেখা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
​হাটে চড়া দাম, হিসেবে মিলছে না মুনাফা
​সরেজমিনে বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতি মণ গরু (নালাসহ) কিনতে হচ্ছে ৩২,০০০ থেকে ৩৪,০০০ টাকায়। এই চড়া দামে গরু কেনার পর আনুষঙ্গিক খরচ যোগ করলে প্রতি কেজি মাংসের উৎপাদন খরচই অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ বিক্রয়মূল্যকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিক্রেতাদের মতে, শুধু মাংসের দাম বাড়েনি, বরং পশুর খাদ্যের দাম বাড়ায় খামারি পর্যায়েই গরুর দাম আকাশচুম্বী।
​অদৃশ্য খরচের বোঝা
​একজন মাংস বিক্রেতার কেবল গরু কিনলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। একটি দোকান পরিচালনায় রয়েছে বিশাল ব্যয়ের ফর্দ:
​শ্রমিক মজুরি: প্রতিটি দোকানে স্টাফ খরচ বাবদ মাসে অন্তত ৭,০০০ টাকার বেশি ব্যয় হয়।
​পৌরসভার ফি: প্রতিটি গরু জবাইয়ের জন্য পৌরসভাকে নির্দিষ্ট ‘সেট ভাড়া’ বা জবাই বিল দিতে হয়।
​পরিচালন ব্যয়: দোকানের বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল এবং নিয়মিত দোকান ভাড়া তো রয়েছেই।
​ক্রেতা-বিক্রেতা দ্বন্দ্বে ‘হাড় ও চর্বি’
​ক্রেতাদের সাধারণ অভিযোগ—মাংসের দামে হাড় ও চর্বি বেশি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আস্ত একটি গরু কেনার পর তার হাড়, চর্বি ও মাংস মিলিয়েই আমাদের বিক্রি করতে হয়। কিন্তু বর্তমান বাজারে সবকিছুর দাম বাড়তি হওয়ায় ক্রেতারা শুধু মাংসের চড়া দাম নিয়েই অসন্তোষ প্রকাশ করেন। দিনশেষে গালি খেতে হয় বিক্রেতাকেই।”
​কত হওয়া উচিত মাংসের দাম?
​বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, যদি এক মণ গরুর গড় ক্রয়মূল্য ৩৩,০০০ টাকা হয়, তবে আনুষঙ্গিক খরচ (স্টাফ, বিদ্যুৎ, পৌর ফি) মিলিয়ে প্রতি কেজিতে খরচ আরও বেড়ে যায়। এমতাবস্থায় লোকসান এড়াতে এবং ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে মাংসের কেজি এলাকাভেদে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকার নিচে রাখা বিক্রেতাদের জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​বিক্রেতাদের দাবি: তারা চান প্রশাসন যেন শুধু খুচরা বাজার নিয়ন্ত্রণ না করে, বরং পশুর হাটে গরুর দাম কমানোর উদ্যোগ নেয়। অন্যথায়, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে এই প্রোটিনের উৎস, আর পুঁজি হারিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2024 দৈনিক দেশ প্রতিদিন
Design & Development By HosterCube Ltd.