জুয়েল সিরাজী,রায়পুর (লক্ষ্মীপুর):
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দায়িত্বে অবহেলার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে অনিয়মিত অফিসে উপস্থিতি এবং স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বিভাগের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
জানা গেছে, উপজেলার ৩৬টি বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লক নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ঠিকাদারদের সঙ্গে বিলের টাকা ভাগবাঁটোয়ারার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ১০টি ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ টুইন পিট ল্যাট্রিন, আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল ও গভীর নলকূপ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। নীতিমালা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী ও সচ্ছল ব্যক্তিদের মধ্যে নলকূপ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
একাধিক প্রকল্প বছরের পর বছর অসমাপ্ত পড়ে থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। কেরোয়া ইউনিয়নের সমাজসেবক শাহআলম অভিযোগ করেন, তালিকাভুক্ত অনেক নলকূপ স্থাপন না করে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে অন্যত্র দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অনিয়মের কারণে বিভাগের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং কর্মচারীরাও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন। সাংবাদিকরা তথ্য চাইলে কালক্ষেপণ ও হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী রমিজ উদ্দিন বলেন, তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।