মেহেদী হাসান সোহেল,টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সময়োচিত পদক্ষেপের জন্য, টাঙ্গাইল- দেলদুয়ার-লাউহাটি -পাককুটিয়া -কালামপুর এই আঞ্চলিক সড়কের ভূমি অধিগ্রহণের প্রায় (২) দুই লক্ষ টাকা ফেরত পেতে যাচ্ছেন দেলদুয়ার শানবাড়ী এলাকার মৃত সিকীম মিয়ার মেয়ে রেজিয়া বেগম।
এতে করে রেজিয়া বেগম দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন ।
রেজিয়া বেগমের নিকট হতে জানা যায়, দেলদুয়ার-লাউহাটি সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণের বরাদ্দ পাওয়া রেজিয়া বেগমের একটি ঘর অধিগ্রহণ করা হয়।
ঘরটির ক্ষতিপূরণ বাবদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তাঁকে ২ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়ে থাকে । কিন্তু অভিযোগ ওঠে, রেজিয়া বেগমের আপন ভাই ইয়াকুব আলী সেই টাকা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন এবং দীর্ঘ দিন ধরে তা বোনকে না দিয়ে আত্মসাতের অপচেষ্টা চালান।
উপায়ান্তর না পেয়ে রেজিয়া বেগম, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মোহাইমিনুল ইসলামকে জানান। অভিযোগটি পাওয়ামাত্রই তিনি তাৎক্ষণিক আমলে নিয়ে নেন ।
এরপর উভয় পক্ষকে নোটিশের মাধ্যমে ভূমি অফিসে এনে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে শুনানি গ্রহণ করেন । শুনানিতে এর সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় এসিল্যান্ডের কঠোর নির্দেশনায় বৃদ্ধার পাওনা মোট ২ লক্ষের টাকার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় ।
এর পর উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিতিতে
বাকী টাকা পরিশোধের জন্য সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এবং অঙ্গীকারনামায় (স্ট্যাম্পে) স্বাক্ষর রাখা হয়।
নিজের প্রাপ্য টাকা পাওয়ার আনন্দে আবেগাপ্লুত রেজিয়া বেগম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন: সাধারণ নাগরিকরা প্রশাসনের কাছে কিছু মৌলিক প্রত্যাশা পোষণ করে। যার মধ্যে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবসময় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি, ইনশা আল্লাহ ।